ফয়সালের কণ্ঠটি ৩ মিনিট ১২ সেকেন্ডে ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে, যেখানে তিনি এক চাকরিপ্রার্থীর কাছে চাকরির জন্য ২৫ লাখ টাকা দাবি করেছেন, যা চাকরিপ্রার্থীকে দিতে চাইলেও প্রশাসনের সাথে আতাত করে দীর্ঘদিন আচরণ করেছেন।
অডিও ভিডিওতে বলা হয়েছে, "এক মাস সময় নিয়ে দেড় মাস হয়ে গেল। কী করবে না করবে ওসব তো আমার দেখার বিষয় না। আমার ট্যাকা দি যাও।"
এছাড়া, অডিও ভিডিওতে সভাপতি বলেছেন, "২০ লাখ, ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে এভাবেই প্রশাসনের সঙ্গে দীর্ঘদিন আতাত করে চাকরি–বাণিজ্য করে যাচ্ছে ইবি ছাত্রলীগ সভাপতি।"
এই অডিও ফাঁসের ঘটনায় গতকাল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন সভাপতি আরাফাত।
প্রতিরক্ষা মানবধিকার কমিশনের কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার তানিয়া নামের ফেসবুক আইডি থেকে ছড়িয়ে পড়া একটি এবং পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস নামের পেজ থেকে ৩ মিনিট ১২ সেকেন্ডের আরেকটি অডিও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পাওয়া চালক মিলন সাংবাদিকদের বলেছেন, "কাউকে টাকা দিয়ে বা টাকা দেওয়ার চুক্তি করে আমি নিয়োগ পাইনি। আমি পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছি।"
এ ছাড়া, অডিও ভিডিওতে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ ওরফে জয়ের প্রসঙ্গেও কথা বলতে শোনা যাচ্ছে। সেখানে বলা হয়, "জয় জয়ের বুঝটা পাই গেছে। দুইটার একটা পেয়ে গেছে। জয় বলল, ‘ভাই, মিলন আপনার আত্মীয় মানুষ, বাড়ির পাশের, মিলনের সাথে বুঝে নেন।’ জয় ওইটা থেকে কিছুই দেইনি। আর জয় যদি এতক্ষণ না পেত, পাগলা মতো হয়ে যেত। ওরতা সিন্ডিকেটের ৩ তারিখ বিকালেই পেয়ে গেছে। আর মিলনেরটা আমার উপর দিয়েছে। এখন চাকরি না থাকলে কি করে খাবিন ও...জমির মায়া করছে, জমির চিন্তা করছে!’
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আননূন যায়েদ বলেন, থানায় একজনের মাধ্যমে আরাফাত জিডি করেছেন। জিডি নম্বর ৯৬৮। জিডিটি জেলা সাইবার ক্রাইম ইউনিটে পাঠানো হচ্ছে। তারা তদন্ত করবে।
0 Comments